সেলিয়া, সেলিয়া / অ্যাড্রিয়ান মিচেল

যখন হয়ে পড়ি জর্জরিত হতাশ ক্লান্ত
মনে হয় সব শেষ, রণ ক্লান্ত আমি ক্ষান্ত
পথে পথে ঘুরি ফিরি সারাক্ষণ অশান্ত
কেবল তোমাকেই ভাবি, নগ্ন একান্ত

পঙ্খীরাজ ঘোড়া

রাজার রাজ্যে ঘোড়ার কারবার বেশী
তরবারি আর গাদা বন্দুক
কামান হাতী ও বজরা
তারো আগে
রথ তীর-ধনুক গদা
সবার আগে রুপকথার পঙ্খীরাজ
আজো মাঝে মাঝে ঘুম না এলে
জেগে বসে খুঁজে ফিরি
সেই পঙ্খীরাজ ঘোড়া

তেসরা ডিসেম্বর ২০২০

শেষ অভিসার

না যদি চুপিসারে থাকেই প্রেম আজো
হিয়ায় কেন ওঠে ঝড় কাল বোশেখীর মতো
দক্ষিণ দুয়ারে কেন সে দেয় টোকা, সংগোপনে?

তোমার প্রিয় হাতের ঘড়ি, আমার প্রিয়
মাতাল করা তোমার গায়ের রং; প্রেমের শেষ অভিসারে
রই রিক্সায় বেশ কিছুক্ষণ।

প্রেরণা তোমার কাছেই পাওয়া
মেরে হৃদয় বাঁচাই জীবন।

১৬ই ডিসেম্বর ২০২০

মহাভারতের কথা অমৃত সমান ০২

তবে যদি কথা দাও রাজা হবে আমারই সন্তান:

ততদিনে গঙ্গা গিয়েছেন ফিরে চলে স্বর্গে, তিন যুগ সেথা লালিত হয়ে দেবব্রত
এসেছেন পিতা শান্তনুর কাছে। রাজা শান্তনু এবার যমুনার তীরে
প্রেমের লীপ্সায় কামনা করলেন মৎসগন্ধা নারী সত্যবতীকে
এবং আবারো, নীলনক্সা এটে মগজে নারী দিলেন এক শর্ত

‘শোন রাজা, তোমার পরে রাজা হবে মোর গর্ভের পুত্র,‘
পিতার বাসনা করতে পূর্ণ, ভারি প্রতিজ্ঞায় আবদ্ধ হয় দেবব্রত
নিজে হলো ভীষ্ম, রইবেন চিরকুমার, নারী বির্বজিত পুরুষ জীবন

আনন্দে আক্ষেপে করুণায় হরষে পিতা সে জীবন
করে দিলেন দীর্ঘ, ইচ্ছে মৃত্যুর বর দিয়ে

মহাভারতের কথা অমৃত সমান

মহাভারতের কথা অমৃত সমান ০১

ভাল যদি বাসো তবে শোনো:

আমি যে কে, কখনো তা চেয়ো না জানিতে
আমি যা-না করি কেনো, বুঝিতে যেও না তার মর্ম
আমি স্বাধীন, তোমার বুকের মাঝে সাঁতার কাটছি তাই
আজ, তুমি হলে আমার হৃদয়ের স্বামী, মহরাজ।

কয়েক পুরুষ ধরে পুরুষে পুরুষে আজো
নারীর সে কথা রেখে চলেছে,
রা করে নি কভু

নারীর মাথায় নীলনকশা
রাজার বুকে কাম

মহাভারতের কথা অমৃত সমান