উষা, লুইস গ্লিক

(২০২০-এ সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী কবি)

১.
অন্ধকার ঘরে ছেলে জেগে ওঠে
চিৎকার করে কাঁদে, হাঁস ফিরিয়ে দাও, হাঁস ফিরিয়ে দাও

এমনই সে ভাষা আগা মাথা তার কেউ বোঝে না আশে পাশে

কোনো হাঁস নেই সেথায়

বরং একটা কুকুর, ধবধবে সাদা
শুয়ে কাছা-কাছে জড় সড় নিজ খাবারের গামলায়

বছরে বছরে বছর গেলো – অনেক বছর চলে।
সবটাই স্বপ্ন। তবে হাঁসটা –
কেউ জানে না তার কোথায় কী হলো।
২.
ছলেটার সাথে পরিচয় এইতো, এখনই
ওরা শুয়ে থাকে এক খোলা জানালার পাশে

কিছুটা তাদের ডেকে তোলবার জন্যে, নিশ্চিত করা
যে রাতের যা যা তাদের মনে পড়ে তার সবটুকুই ঠিক,
এখন আলো ঢুকতে চায় ঘরে,

তাছাড়াও ওদের দেখানো দরকার কীভাবে কী হলো:
নোংরা গদির নীচে অর্ধেক উকি মারা পায়ের মোজা,
সবুজ পাতায় সাজানো লেপ –

সূর্যালোকে উজ্জ্বল
সে সব তবে বাকি রয়ে গেছে আরো,
সীমানার ভাগ, নিশ্চিত, গায়ের জোরে নয়,

তারপর সুদীর্ঘ, বর্ণন
প্রতিটা চুলচেরা
রূচিবাগীশ, স্যাহিত্যের নির্মান,
বাদ পড়ে না চাদরে পড়ে থাকা তিল পরিমান রক্ত।
৩.
পরে, সারা দিনের জন্যে তারা দূরে সরে গেলো
তাও পরে, ডেস্কে, বাজারের ভেতর,
ছেলেটার দেওয়া সংখ্যায় ম্যানেজার মোটেই খুশি নন
নীচের স্তরে সব ছাতনা ধরা ফল-

ফলে একজন অপসৃত হয় পৃথিবী থেকে
এমনকি যেন একজন তাতে প্রতিবাদ চালিয়ে যেতে পারে –

বাড়ি ফিরে এসে, যখন তুমি দেখতে পেলে সেই ছাতা
ততক্ষণে সব শেষ, ভিন্ন কথায়

যেন সূর্য তোমায় অন্ধ করে রেখেছে মুহূর্তখানেক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *