ভ্রান্তির পাপ, কেরল লাইট

ভুলে থাকার ভান করেছি
প্রথম প্রথম আনমনা তারপর পালিয়ে থাকা তারপর এড়িয়ে চলা

নীলাকাশে কিসের ক্লেশ?
কেনো মেঘ, কেনো বজ্রনিনাদ?

থর ছুড়ে ফেলেছেন হাতের হাতুড়ি
তাঁর ষাড় ছুটে চলেছে মাঠ-ঘাট পেরিয়ে

বন-জঙ্গল তার গাছের আড়ালে লুকিয়ে রাখা
গাছ দাঁড়িয়ে সত্যোর ভিতর শিকড় গেড়ে

সত্য চুঁয়ে পড়ে অনুতাপ কষ্ট
আমরা তো সব কাষ্ট একে অপরের সাথে

মানুষ অতীতটা ভাবে স্বর্গের দিকে চোখ তুলে
আর মিথ্যে কথা বলে নজর ঘুরিয়ে রেখে

নয়তো? আশা করি পন্ড বা কোনো ভন্ডামী করি নি
আশা করি আশাাম্বিতও করি নি

সত্যের একাংশ। চলে আসবার আগে সামান্য আঁচড়
বহু আগে। আদতে নিছকই জানা কতটুকু আমার দেনা

রুবাই, শুকুর মোহামাদ

তোমাকে নিয়ে দুঃখ করার ফুরসৎ হয়েছে এইবার
চলে গেলে সংসার পেতে যেন তা লাভের কারবার
আমি বসে সেখানেই একা একা হাতে নিয়ে দোতারা
প্রেমে কোনো হার জিৎ নেই, শুধু অনুভূতী সব হারাবার

সারাটা জীবন দিনে দিনে ঘুরছি পথে পথে
মাতাল হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছি নেড়ি কুকুরের সাথে
এখান থেকেই চোখে পড়ে তোমার জানালাখানা
তাই বারে বারে এখানে ফিরে এসেছি প্রতি রাতে

কোনো মুসাফির কখনো কিছু চাইলে হাত পেতে
শুনেছি, তুমি ফিরে যেতে দাও না তাকে খালী হাতে
সখী এত যে আমি বুক চিরে দেখালাম, কত ভালবাসি
কই এলে না তো তুমি ঘর ছেড়ে বেরিয়ে আমার সাথে

মিঠা পানির নদী

প্রতিটা সাগর, উপসাগরই আসলে নিছক একেকটা ‍হ্রদ, বিশাল
যদি না সাগর বা মহাসাগরের সাথে তার কোনো সংযোগ থাকে
নেহায়েত একটু সংযোগ আর লবনাক্ততা
মানুষগুলো তাই অন্য কোনো গুনাগুন নয়
লবন খোঁজে লবন আর মাথার উপর
সাগর, মহাসাগরের হাত
কুল কিনারা থাক বা না থাক, দেখা যাক বা না যাক
তুমি সোজা এঁকে বেঁকে গড়িয়ে এসে পড়লেই কিন্তু
তুমি নদী। আর আমি নদী হয়ে থাকতেই ভালবাসি
কুলু কুলু বয়ে যাওয়া মিঠা পানির নদী
বকশি বাড়ির ঘাট, পাকশীর ব্রিজ, গোয়ালন্দ ডুবিয়ে যাওয়া
কেওড়াতলার শ্মশান আর মঠবাড়ি মুন্সিদের গোরস্থান ভিজিয়ে যাওয়া নদী।
খোদার কসম, সাগর নয় উপসাগরও নয়
আমি পড়ে থাকতে চেয়েছি নদী বা কেবলই একটা খাল হয়ে;
বাড়ির মেয়ে-বউ জল নিয়ে যাবে, ছেলে ছোকড়ারা ডিগবাজি খাবে
জেলেরা মাছ ধরে নিয়ে, বাজারে বেচে বেচে
আইবুড়ো মেয়েটার বিয়ে দেবে।
কেউ কেউ বেয়ান বেলায় ওজু করে আমার ঘুম তাড়াবে
সূর্য প্রনাম করে আমায় গায়-গতরে রোদ মাখাবে।

অথৈ জলে এসব কোথায়? সমাজ ছেড়ে পড়ে থাকা সাগর হয়ে!

হাট বসেছে, আমি না হয় নালা-ই হলাম
হে প্রভু, সব দিয়েছো, তবু ভাবি, আর একটু যদি ব্যাপ্তি দিতে!
যা দিয়েছো খুব দিয়েছো, বয়ে চলেছি, নির্জনে নয়, নিরবধি লোকালয়ে
তোমার আরও আর কি-ই বা আছে, চাইতে হবে কোঁচড় পেতে!

কর্মযজ্ঞ / ফিলিপ লিভাইন

দাঁড়িয়ে আছি বৃষ্টিতে দীঘল এক সারিতে
ফোর্ড হাইল্যান্ড পার্কে। কাজের আশায়
তুমি কি জানো কাজ মানে কী –যদি তুমি
এটা পড়বার মতো বড় হয়ে থাকো তো তুমি জানোই
কাজ মানে কী, হয়তো তোমাকে করতে হচ্ছে না।
বাদ দাও, বলছিলাম দাঁড়িয়ে থাকবার কথা
এক পা থেকে আরেক পা, পা বদলানো।
যেন কুয়াশার মতো ইলসেগুড়ি বৃষ্টি পড়ছে
মাথার চুলে, চোখে চারিদিক সব ঝাপসা হয়ে আসে
একটু পরেই মনে হবে নিজেরই ভাইকে দেখছ তুমি
তোমার সামনেই, দু-দশ জনের আগেই।
চোখের চশমাটা ভালো করে ঘসে ঘসে তাকাবে,
হ্যা, দাঁড়িয়ে আছে সামনে অন্য কারো ভাই,
কাঁধ ঝাঁকিয়ে বোকা বোকা লাগবে নিজেকে
তুমি তখনো সেই বিমর্ষ জবুথবু মানুষ, ভেংছি কেটে হাসছো
তবে তাতে জেদীপনাটা লুকানো গেলো না,
দুঃখজনক প্রত্যাখ্যান করতে তো পারছো না
যা অবগত হলে একটু আগে সামনে কোথাও
একটা মানুষ বসে বসে বলে দিলো, “না,
আজ আমরা আর লোক নিচ্ছি না।“ যে
কাজ সে করাতে চায়। ভাইকে তুমি ভালবাসো,
এখন হঠাৎই তোমার পক্ষে দাঁড়িয়ে থাকা শক্ত হবে
ভাতৃ প্রেমের বন্যা তোমায় ভাসিয়ে নিয়ে চলেছে,
সে কিন্তু তোমার পাশে নেই কিম্বা পেছনেও নেই অথবা
সামনেও নেই কারন সে এখন চেষ্ট করে যাচ্ছে
ঘুমিয়ে ক্যাডিল্যাকে রাতের সিফ্টে নির্মম কাজের ধকল
কাঁটিয়ে নিয়ে দুপুরের আগে জেগে জার্মান পড়তে যাবে।
প্রতি রাতে আট ঘন্টা খাটে যাতে ও সময় পায়
গাইতে ওয়াগনার, অপেরা, তোমরা খুব ঘৃণা করো,
মনে করো শিল্পের নিকৃষ্টতম রচনা।
কত দিন হবে তুমি ওকে একবার বলেছ
তুমি ওকে ভালবাসো, তার চওড়া কাঁধ ধরে,
তোমার চোখ দুটো পুরো খুলে বল ফেলো কথাগুলো,
ওর গালে একটা চুমু খেলে আরো ভালো? করো নি কখনো
এত সহজ অনস্বীকার্য একটা কাজ, করে ফেলো।
ভেবো না তোমাকে খুব ছোট বা বোকা মনে করে বলছি,
ভেবো না তোমায় ঈর্ষা কাতর ভাবছি
অথবা মনে করি না তুমি কাঁদতে পারবে না
অন্য কোনো মানুষের সামনে, না,
বলছি শুধু একটাই কারনে, তুমি জানো না কাজ মানে কী।

অনিদ্রামি, আরিয়েল ফ্রান্সিসকো

কবি এই গুচ্ছ-কবিতার নাম অনিদ্রা আর মাইয়ামি মিলিয়ে রেখেছেন, ইংরেজিতে Insomniami

গোটা রাতের আঁধার
গড়ে তুলেছে নিছিদ্র আশ্রম
অবাঞ্ছিত ভাবনার আশ্রয়

যদি মন দিয়ে শোনো
শুনতে পাবে
মেঘে মিশে যাওয়া পানির ফিস ফিসানি

দু‘কানে হাত চাপা দিলেও
কানে আসবেই

রাতের ঝিনুক কঁড়িয়ে নিয়ে তার ফাঁদে ধরা দাও

প্রতিধ্বনি ছুটে ফেরে
ধ্বনির দিকেই

অকেজো ঘুমপাড়ানি গান
ছন্দের স্থান বদল
টিক টিক না করা
ডিজিটাল ঘড়িটা
গুনছে আমার অনিদ্র সময়
নিশ্চুপ

তরঙ্গের আকারহীনতা
জলবৎ ঘুম জাড্য
কেড়ে নিলো শহরটা

সর্বোচ্চ জলের দাগ
উঠে গেছে আকাশমুখো
এবং পৌছে গেছে সেখানেই

নতুন নতুন আকাশচুম্বি গজাচ্ছে
প্রতি দিন হাঙ্গরের দাঁতের মতো

বিকোচ্ছে গরম গরম, অল্প দামে

গরম থাকতেই নিয়ে নাও
নাও জমিটা
জমি থাকতে থাকতেই

তুমি জানো, পৃথিবীটা পুড়ছে

সারা রাত শুনতে পাবে ওদের
আরো একটা শালার স্টেডিয়াম তৈরি হচ্ছে
এদিকে বাড়ি-ঘর ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে
তোমার আশে-পাশে তুমি ঘুমালে

যথেষ্ট ভাড়ার বাড়ি খালি পড়ে আছে
সবার জায়গা হয়ে যাবে অনায়াসে
তবুও বড় প্রয়োজন
ওগুলে পড়ে থাকা
তারা বলবে না কারণ

হ্যরিকেন-ঝড় আসে প্রবল প্রতাপে
বেড়াতে আসা মানুষের মতো
আর তখনই অকস্মাৎ
কমে যায় গৃহহীন লোকজন

ওদের নাম হারিয়ে যায়
বৃহৎ শাখায়
নামকরণের বিশৃঙ্খলায়

নিশি হলো অনুত্তরিত সময়ের জপমালা

গোণো ওদের
গুনো ওদের
হিসেবে ধরো

মাঝে মাঝে বড় শ্রদ্ধা জাগে
শহরের আলোক-দূষণ দেখে

ফুল-বাবু তারারা
ভাবে ওরা সবজান্তা

তবে তাদের শামুক গতির জ্ঞাণ
সদাই থেকে যায় আলোর পিছে

আজও

তাচ্ছিল্যজনের সাথে আলাপ করে দেখি
রাশিফলে আদতে কী পাওয়া যায়
ওতে প্রতিশ্রুতি দেওয়া থাকে প্রতিশ্রুতি দেওয়ার

মাইয়ামি অবশ্যই
সিংহরাশি জাতক
(ভালো করে চেয়ে দেখো)

নিভে যাওয়া আগুনের দাগ

দর্প বুজরূকি সবকিছু
চলছে ভালো

মানে চলে আসো

অনেক ভেতরে

সব কিছুই তো আর দোষের নয়
বারমুডা ট্রায়েঙ্গেলে
নিজেই না হয় একবার গিয়ে দেখো

সাঁতারু পাখি
আর উড়ন্ত মাছ
পেঁচা খোড়ে

রাতের আকাশ
প্রতিফলিত পানিতে

বিভ্রান্তি

মেঘ ও প্রবালের মিলমিশ সংসার

অক্টোপাস ষড়যন্ত্র রচে চলেচ্ছে
মস্তিস্কের কোনো কোণে
শিক্ষা নেবে মাানুষের ভুলের

আমাদের উত্তরাধিকার
আসছে শীঘ্রই

অবশ্যই
ওরা ভালো করবে
এই শহরের
আমাদের চাইতে।

এই শহর
সাথে ইতিহাস এর ঝড়-ঝঞ্জার
আর জালিয়াতির

এক দিন
নিয়ন
জ্বালিয়ে দেবে

তারপর কী

সূর্য উঠছে
ভাড়ার মতোই

সূর্য ওঠে
পতাকার মতো

সূর্য উঠছে
যেন সে সাগর

ঘুমাতে পারি না
তবে আমার ভালবাসার শহরটা
জেগে উঠতে পারে না
……..

তৃতীয় প্রজন্মে এসে

কোকিলের ডাক শুনি ঘরে বসে শহরেই
বৈশাখের বাতাস জানালা ফুঁড়ে এসে লাগে ঘাড়ে গর্দানে
শুনেছি আমাদেরও একটা গ্রামীন জীবন ছিল তিন প্রজন্ম আগেই
দাদাজান এই যে চারতলা বাড়িটা করেছিলেন এখানে
শহরে, সস্তায় পাওয়া দুকাঠা জমির উপর, এখন
নিজেদের থাকবার চারখানা রুম; বাকিটা ভাড়াটিয়া

এই চারটে রুমই ভুলিয়ে রেখেছে আমাদের
মধুমতী নদী ঘেসে গ্রামটা আর সেখানে
চার বিঘা জমিতে পড়ে থাকা চুন-সুরকীর দোতলা দালান
এবং এক বিধবা চাচাতো ভাবি
ভেঙ্গে পড়ছে ধীরে ধীরে

দাদাজান বলতেন, “আহারে যদি ফিরে যেতে পারতাম
পায়ের এই শৃঙ্খলটা ছিড়ে ফেলে!“

গ্রামে গিয়েছি দুচারবার, বিদেশ ভ্রমনের মতো
কোকিলের ডাক, পাখিদের কিচির মিচির আর
সেই ব্যাথা –শৃঙ্খল ছেড়বার ইচ্ছেটা
শুধু ঐ ইচ্ছে টুকুতেই বেঁচে আছে আমার গ্রাম
আমার বুকে।

সেই দেশ / গ্রেস প্যালে

এখানে সেই দেশের নারীদের কথা বলছি
মাঝে সাঝে ওরা স্লোগানে বলতো
ওরা বলতো
‘জানের‘ প্যান্টে যেমন তালি-তপ্পি মেরে দিই তেমন রাস্তায়ও তপ্পি মেরে দিই
জান যায় যাক তবু যান থামবে না
ওরা বলতো
দিই উৎপাদনের নিশ্চয়তা ষোল আনা, এমনকি বোম ব্যাপারীদেরও
হে সন্তানগণ আরো জোরে গাও, বিস্ফেরনের শব্দের চাইতেও জোর
ওরা বলতো
আমাদের অনেক জরুরী কাজ, সন্তানদের শেখানো
জনগণ সমবেত ভাবে মহা শক্তিধর
কষ্টটাও তখন সহ্য করা যায়
সংসারে ভালবাসা বয়ে আনার জন্যে
সন্তানদের সুস্বাস্থ্যের দিক নির্দেশন দেওয়া (অবশ্যই তারা
যেন পোশাক পরে আবহ বুঝে)
ওরা বলে
কোনো এক সময় পুরুষরা মারধোর করতো স্ত্রীদের
এখন আর মারে না
এক কালে দরিদ্র পিতা-মাতা বড়লোক বুড়োর কাছে বেচে দিতো নিজের মেয়েকে
এখন যৌবনে ছেলে মেয়েরা প্রেম করতে পারে
ওরা বলে
একদা চাষাবাস হতো পুরানো কায়দায়
এখন নবীন চারা রুয়ে দিই সারিতে সারিতে
অতএব, সাম্রজ্যবাদী কর্ণধার, দেখতেই পাচ্ছে কতটা দৃঢ় আমাদের
বাহু

সাঝে আমরা হাটাহাটি করি ‘তলোয়ার পুনরুদ্ধার‘ ঝিলের* পাড়ে

আমি জানতে চাই আসলেই কি? আমরা বোন?
ওরা বলে হ্যা গো, আমরা একই পরিবার

হুয়ান কিম লেক: ভিয়েতনামী Hồ Hoàn Kiếm, Hựn tự: 湖 還 劍, অর্থ “প্রত্যাবর্তিত তরোয়ালের হ্রদ” বা “পুনরুদ্ধার তরোয়াল হ্রদ”, গেম লেক (Hồ Gươm (Sword Lake)) বা Tả নামেও পরিচিত ভ্যাং লেক (হান টি ভ্যাং), স্বচ্ছ জলের হ্রদ, ভিয়েতনামের রাজধানী হানয়ির ঐতিহাসিক কেন্দ্রের প্রায় 12 হেক্টর পরিমান জায়গা।

চাকুরির সুবাদে

শত বছর আগেও
গ্রামে বসে আমাদের পূর্বজ জানতো কী
তাঁদের সন্তানেরাও বসবাস গড়বে ইউরোপে!

আজ তাই আমিও জানি না, হয়তো
আমারই উত্তর পুরুষের কেউ কেউ
গিয়ে থাকবে চাঁদে বাড়ি ভাড়া করে
চাকুরির সুবাদে।

থলি, জুলি ও’ক্যালাহান

এইতো আমার হাতে
হাতলওয়ালা একটা প্লাস্টিকের থলি

এতে আমি আমার কয়েকটা অংশ বয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছি
একটা বাড়তি হাত, শিরার বদলি রগ, খানিকটা চামড়া

এগুলো খুব কাজে লেগে যেতে পারে
আজকের মতো কোনো দিনে

কবির পক্ষে, কাউন্টি কুললিন

আমার স্বপ্নগুলো মুড়িয়ে রেখেছি সব কিংখাবে,
তারপর সোনার তোরঙ্গে রেখেছি তা ফেলে দূরে;
যেথায় মথের ঠোট দীর্ঘ্য দিন রয়ে যাবে বন্ধ,
আমার স্বপ্নগুলো মুড়িয়ে রেখেছি সব কিংখাবে,
কোনো ঘৃণা চাপা রাখি নি; রাগি নি মোটেও
যার কাছে পৃথিবীর শ্বাস-প্রশ্বাস এত নিবিড় ও শীতল
আমার স্বপ্নগুলো মুড়িয়ে রেখেছি সব কিংখাবে,
তারপর সোনার তোরঙ্গে রেখেছি তা ফেলে দূরে।

আজো শব্দ বোনে

আস্ত সূর্য অস্ত গেল! পাহাড় মেঘের নীচে
এ জ্যোতিষ্ক
জীবন্ত মানুষের মতই
সত্যাসত্যের ভেদাভেদ করে, দেখিয়ে দেওয়া
মেঘতো মেঘই, পাহাড় ঘুমন্ত ভিসুভিয়াস
আর নদীগুলো সব আলোর ছটায় নীল
কেউ গেছে চলে বনে, বুনে দিতে রক্তে রাঙ্গানো বীজ
কেউ কেউ আজো শব্দ দিয়েই রক্তে জ্বালা বোনে
ধোয়ার মশাল জ্বেলে
বীরশ্রেষ্ঠ আর্য
বীরজাতির বীর্য তোমার গায়ে।